প্রতারকেরা প্রতিদিন প্রতিনিয়ত নতুন নতুন উপায়ে মানুষকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। তাই আজকের এই কথালি ওয়েবসাইটের কথা দ্বারা আমরা সহজ ভাষায় আলোচনা করব কীভাবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চললে আপনি আপনার স্মার্টফোন, আপনার তথ্য, আপনার ডকুমেন্ট এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে শুরু করে সব কিছু ১০০% নিরাপদ রাখতে পারবেন।
এসএমএস (SMS), ইমেইল কিংবা মেসেঞ্জারে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন অফারের লিংক পাই—যেমন: "ফ্রি রিচার্জ পান", "লটারিতে ল্যাপটপ জিতেছেন" কিংবা "ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আপডেট করুন"।
সুরক্ষার উপায়: অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো লিংকে কখনো ক্লিক করবেন না। ব্যাংক কিংবা কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান কখনো মেসেজে লিংক পাঠিয়ে পাসওয়ার্ড বা পিন কোড জানতে চায় না।
পাসওয়ার্ড কতই না শক্ত হোক, তা হ্যাক হওয়া অসম্ভব কিছু নয়। কিন্তু আপনি যদি আপনার ব্যাংক অ্যাপ, জিমেইল এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্টে Two-Factor Authentication (2FA) চালু রাখেন, তবে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না। কারণ ঢুকতে গেলেই আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি (OTP) বা সিকিউরিটি কোড আসবে।
আমরা অনেক সময় গুগল প্লে স্টোরের বাইরে থেকেও বিভিন্ন সাইট থেকে 'APK' ফাইল ডাউনলোড করে অ্যাপ ইনস্টল করি। এই অ্যাপগুলোতে লুকানো 'মালওয়্যার' বা ভাইরাস থাকতে পারে, যা গোপনে আপনার ফোনের মেসেজ এবং ব্যাংকের তথ্য হ্যাকারদের কাছে পাঠিয়ে দেয়।
করণীয়: সবসময় অফিশিয়াল স্টোর (Google Play Store বা App Store) থেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করুন। অ্যাপ ইনস্টল করার সময় অতিরিক্ত পারমিশন (যেমন: কন্টাক্ট, গ্যালারি বা এসএমএস রিড করার অনুমতি) দিচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন।
রেস্টুরেন্ট, স্টেশন বা শপিংমলে থাকা ফ্রি পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে কখনোই ব্যাংকিং লেনদেন বা গুরুত্বপূর্ণ পাসওয়ার্ড ইনপুট করবেন না। উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বেশ দুর্বল থাকে এবং হ্যাকাররা সহজেই ওই নেটওয়ার্কে থাকা অন্যান্য ডিভাইসের ওপর নজরদারি চালাতে পারে।
123456, password, কিংবা নিজের জন্মতারিখ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করুন। পাসওয়ার্ড তৈরি করার সময় বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন (যেমন: @, #, $) মিলিয়ে তৈরি করুন। এছাড়া ব্যাংকিং অ্যাপগুলোতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস লক ব্যবহার করা সবচেয়ে নিরাপদ।
সাইবার থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারকের হাত থেকে বাঁচার একমাত্র আসল চাবিকাঠি হলো আপনার নিজস্ব সচেতনতা উপর নির্বর করে। যদি কোনো অ্যাপ বা বিশেষ কোনো অফার আপনার কাছে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়, তবে সেখানেই আপনাকে সন্দেহের তালিকা তৈর করতে হবে সন্দেহ করতে নিশ্চয় কোনো ঝামেলা আছে। ওপরের এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে আপনার ফোন এবং ব্যাংক একাউন্ট ডকুমেন্ট তথ্য সব কিছু সুরুক্ষা থাকবে।
Kothaly সাথেই থাকুন কথালি আপনাকে দিচ্ছে সফলতার নতুন পথ।